
স্বত্ব © 2024 বসুন্ধরা শুভসংঘ
জাবি বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি পাচ্ছেন জাবির ১২ শিক্ষার্থী

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ১২ জন মেধাবী শিক্ষার্থী পাচ্ছেন বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃত্তি। এই বৃত্তির আওতায় একজন শিক্ষার্থী বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে প্রতিমাসে তিন থেকে চার হাজার টাকা পাবেন। শিক্ষাজীবনের শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এই অর্থ দেওয়া হবে।
দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে বৃত্তি দিয়ে আসছে বসুন্ধরা গ্রুপ।
এই বৃত্তির আওতায় বর্তমানে দুই হাজারের অধিক শিক্ষার্থীকে পড়ানো হচ্ছে। প্রতিমাসে শিক্ষার্থীরা দুই হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক আহমেদ রেজা বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি বসুন্ধরা শুভসংঘ মেধাবী এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা নির্বিঘ্নে চালানোর জন্য বৃত্তি দেয়। এরচেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না।
বাংলাদেশের সবাই তো ধনি নয়, যারা দারিদ্র্যের কারণে জীবন চালাতে পারে না, মেধাবী হওয়া স্বত্বেও ঠিক মতো পড়াশোনা করতে পারে না, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। আমি আবারও বলছি এরচেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না।’
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের কারো বাবা কৃষক, অনেকের বাবা নেই। ভূমিহীন এসব পরিবারে মা, ভাই-বোন থাকলেও অর্থ উপার্জনকারী নেই।
তবে অভাবের মধ্যেও জীবন গড়ার সংগ্রাম করছেন তারা। দেখছেন জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে সফলতার শীর্ষে যাওয়ার স্বপ্ন। পুরনো বই পড়ে, ঋণ করে পড়াশোনা করে এবং আর্থিক ও সামাজিক নানা টানাপোড়েন পেছনে ফেলে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মেধাতালিকায় সামনের সারিতে স্থান করে নিয়েছিলেন তারা।
বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মহাসীন আলী বলেন, ‘বাবা মারা গেছেন অনেক আগে। জীবনের বড় একটা অংশ কাটিয়েছি এতিমখানায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পড়বো এটা কখনো ভাবি নাই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় তীব্র অভাবের মধ্যে পড়লাম। ভর্তি ফি জমা দেওয়ারও টাকা ছিলো না। পরবর্তীতে বসুন্ধরা গ্রুপ আমার পাশে এসে দাঁড়ায়। ভর্তি ফি থেকে শুরু করে প্রতি মাসেই তারা আমাকে স্কলারশিপ দিয়ে আসছে।’

মিরপুর কুয়াশা ভেজা সকালে বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে পাঠ্যবই বিতরণ

শীতের কুয়াশাঘেরা এক সকালে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মিরপুরে অবস্থিত বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে আয়োজন করা হয়েছিল এক হৃদয়গ্রাহী অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যবই বিতরণ করতে জড়ো হয়েছিলেন.....
কম্বল বিতরণ ভাঙ্গুড়ায় শুভসংঘের কম্বলে ৩১ পরিবারে উষ্ণতার হাসি

‘কয় দিন ধরে ঠাণ্ডা বাতাস। খুব শীত লাগে। বাড়িতে মানুষের দেওয়া পাতলা দুটি কম্বল আছে। এই কম্বলে শীত যাইতে চায় না। স্বামী কাজকর্ম করতে পারে.....
কম্বল বিতরণ ভালোবাসার চাদরে উষ্ণতার পরশ

সত্তর বছর বয়সী রোকেয়া বেগম। স্বামী আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন ১৬ বছর আগে। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে থাকতেন। মেয়ে পছন্দ করে ছেলেকে বিয়েও দিয়েছিলেন তিনি।.....
