Heading Image
শুভসংঘ সম্পর্কে

সম্পর্কে

  1. বসুন্ধরা শুভসংঘের গঠনতন্ত্র
    ভূমিকা :
    এই সংবিধান বসুন্ধরা শুভসংঘের ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশিকা অনুসারে প্রণীত এবং অনুমোদিত বিধায় বসুন্ধরা শুভসংঘের যে কোন কর্মসূচি, সাধারণ সদস্য, কালের কণ্ঠ শুভসংঘের সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এই সংবিধানের প্রতিটি ধারা, উপধারা মেনে চলতে বাধ্য থাকবে যতক্ষণ না পর্যন্ত কোন ধারা, উপধারা পরিবর্তন, সংযোজন, সংকোচন সাধিত হবে।
    ধারা নং-০১ :
    নামকরণ ঃ ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ’ যা ইংরেজিতে ইধংযঁহফযধৎধ ঝযাঁড়ংধহমযড় বুঝাবে। এখানে বসুন্ধরা বা শুভসংঘকে আলাদাভাবে বুঝাবে না।
    ধারা নং-০২ :
    কর্ম এলাকা :  সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী এর কার্যক্রম পরিচালিত এবং বাস্তবায়িত হবে।
    ধারা নং-০৩ :
    প্রধান কার্যালয় : প্লট-৩৭১/এ, বøক-ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।
    ঠিকানা : বর্তমান ঠিকানা প্রয়োজন বোধে কর্ম পরিচালনার স্বার্থে সংগঠনের ঠিকানা ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবর্তন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের আঞ্চলিক কার্যালয়, শাখা কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে।
    ধারা নং-০৪ 
    লক্ষ্য ও উদ্দেশ ঃ 
    দেশের শীর্ষ শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রæপের সামাজিক সংগঠন ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ’। বসুন্ধরা শুভসংঘ কে ঘিরে দেশের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করতে চাই আমরা। একত্রীকরণের ব্যতিক্রমী ও দায়িত্বশীল কাজটি করবে শুভসংঘ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষক, অভিভাবক, মুক্তিযোদ্ধাসহ সব শ্রেণীর মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চায় শুভসংঘ। বসুন্ধরা শুভসংঘের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো শুভ কাজের উদ্যোগ নেয়া। শুভ কাজে সবার পাশে থাকা। সর্বস্তরের শুভবোধসম্পন্ন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা।
    শুভসংঘ যে সব কাজ করবে
    তারুণ্যের শক্তি ঐক্যবদ্ধ করা - 
    বসুন্ধরা শুভসংঘের মূল শক্তি হবে তারুণ্য নির্ভর। কেননা দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে ছাত্র ও তরুণরাই সবচেয়ে অগ্রসর ভূমিকা রেখেছে। শুভসংঘ বিশ্বাস করে ঐক্যবদ্ধ তারুণ্যই পারে উন্নত দেশ ও জাতি গড়তে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র ও তরুণদের ভূমিকা আজ ইতিহাস। আমাদের জাতিগত যতটুকু অর্জন তার মূলে রয়েছে তারুণ্যের অদম্য নিবেদিত ঐক্যবদ্ধ শক্তি। তাই আগামী দিনের অর্থনৈতিক মুক্তি ও প্রাচুর্যের বাংলাদেশ গড়তে তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বাড়াতে শুভসংঘ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বসুন্ধরা শুভসংঘ তরুণ শুভার্থীদের প্রত্যেককে একেকটি দেশপ্রেমিক, মহত্ব ও সৃজনশীল ঐক্যদ্ধ হাত হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। তাই বসুন্ধরা শুভসংঘ শুরু থেকেই তরুণদের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
    কর্মসূচিঃ
    ১। বছরব্যাপী সৃজনশীল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
    ২। শিক্ষার্থী ও শিক্ষিত বেকারদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে নানা ধরনের কারিগরি ও সৃজনশীল কর্মসূচি গ্রহণ করে তাদের চাকুরি পাবার পথ সুগম করা।
    ৩। তরুণ পেশাজীবিদের জন্য পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা।
    ৪। তরুণদের নেশামুক্ত, দায়িত্বশীল জীবন গড়তে কাউন্সিলিং সেন্টার তৈরী।
    ৫। উন্নত সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ তৈরীতে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ।
    ৬। আর্থিকভাবে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা।
    ৭। দুস্থ ও অসহায় শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া।

শিশু কিশোরদের জন্য উন্নত সাংস্কৃতিক শিক্ষা -
বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে উন্নত একটি রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে শিশু কিশোরদের মধ্যে জাগ্রত করতে হবে দেশপ্রেম ও কর্মময় উন্নত সাংস্কৃতিক শিক্ষা। শিশু কিশোরদের গড়ে তুলতে হবে উন্নত সাংস্কৃতির অগ্রনায়ক হিসেবে। অবহেলিত শিশু কিশোরদের একত্রিত করে তাদের মধ্যে ও দেশ গড়তে কাজ করার সাংস্কৃতিক গড়ে তুলতে হবে। শুভসংঘ সব শ্রেণীর শিশু কিশোরদের একত্রিত করতে চায়। সাংস্কৃতিক দৈন্যতা দূর করতে উন্নত সাংস্কৃতিক চর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়। যা শিশু কিশোরদের মানষিক বিকাশে সহায়ক হবে। এ লক্ষে শুভসংঘ শিশু কিশোরদের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
কর্মসূচিঃ
১। শিশু কিশোরদের মানসিক শক্তি বিকাশে সৃজনশীল সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজন করা।
২। শিশু কিশোরদের সৃজনশীল চিন্তাশক্তি বাড়াতে সাহিত্য চর্চা ও তা প্রকাশের সুযোগ তৈরী।
৩। নৃত্যকলা, ছবি আঁকা ও গঠনমূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন।
৪। গান ও নাটকে উৎসাহী করা ও প্রতিযোগীতার আয়োজন।
৫। ক্রীড়া প্রতিযোগীতা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশু কিশোরদের বিনোদনের সুযোগ তৈরী।
৬। দরিদ্র অসহায় ও দুস্থ শিশু কিশোরদের যত রকম সহযোগিতা সম্ভব তা নিশ্চিত করা।
৭। বছরব্যাপী উপরোক্ত সকল ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে দেশের সকল জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত শিশু কিশোরদের শুভসংঘে অংশীদার করে নেয়া।

শিক্ষিত জাতি গঠনে শুভসংঘ
শিক্ষাই জাতির জাতীয় ব্যক্তিত্বকে বিকষিত করে। উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে হাজির করে। শিক্ষিত জাতিই পারে শুভ অশুভের ভেদ নির্ণয় করতে। তুলে ধরতে পারে আত্মপরিচয়। তাই শুভসংঘ একেবারে বঞ্চিতদের থেকে শুরু করে দরিদ্র অসহায় ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিস্তারে কাজ করবে। শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সাংস্কৃতিক আয়োজন, সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের উদ্যোগ নেবে। অশিক্ষিত তরুণ, যুবক ও বয়ষ্কদের সাক্ষরতায় উদ্যোগ নেবে শুভসংঘ। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। গড়ে তোলা হবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র। তাছাড়া দেশে ও দেশের বাইরে ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং এর জন্য আয়োজন করা হবে কর্মশালা, ওয়ার্কশপ, সেমিনার।
কর্মসূচিঃ
১। শুভসংঘের শুভার্থীদের নিয়ে পথশিশু ও বঞ্চিতদের জন্য স্কুল শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
২। তরুণ, যুবক ও বয়ষ্কদের সাক্ষরতা উদ্যোগ গ্রহণ।
৩। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরী।
৪। ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরী।
৫। দুর্বল শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে মেধাবীদের নিয়ে শুভসংঘ সুপার মেরিট ক্লাব তৈরী।
৬। ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং কেন্দ্র তৈরী।
৭। বৃত্তিদানের মাধ্যমে শিক্ষা উৎসাহ তৈরী।
৮। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দেয়া।
৯। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন।
১০। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতন করতে প্রাথমিক চিকিৎসা (ফাস্ট এইড) জ্ঞান প্রদান।
১১। দেশীয় বিজ্ঞানী ও তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহ প্রদান ও গবেষনায় সহযোগিতা করা।
১২। কর্মশালা, ওয়ার্কশপ, সেমিনার আয়োজন।
১৩। দরিদ্র অসহায় ও অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সহযোগিতা দেয়া।
১৪। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য বর্ধনে কার্যকরী ভূমিকা নেয়া।

শিক্ষক ফোরাম-
দেশ ও জাতির বিকাশে শিক্ষক সমাজ মেরুদন্ডের মতো। আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিশু-কিশোর, তরুণ-যুবাদের শিক্ষকরাই সবচেয়ে ভাল নার্সিং করতে পারে। অথচ দেশের শিক্ষক সমাজ আজ অবহেলিত। তাদের ত্যাগ, কীর্তি, জীবনালেখ্য সমাজে আজ তেমন মূল্যায়িত হচ্ছে না। তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনাও থেকে যাচ্ছে সমাজের অগোচরে। শুভসংঘ জাতির এই ত্যাগী মানুষদের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে গড়ে তুলতে চায় শুভসংঘ শিক্ষক ফোরাম। যে ফোরাম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানষিক বিকাশে বন্ধুত্বের হাত বাড়াবে। শুভসংঘ সেই প্লাটফর্ম, যে ছাত্র-শিক্ষক সম্মিলিতভাবে সমাজের জন্য নিরলস কাজ করে যাবেন। এমন সব দৃষ্টান্ত আয়োজন করবে যা প্রথাগত শিক্ষা সম্পর্কের সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি শিক্ষিত, স্বনির্ভর, উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে নেবে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।
কর্মসূচিঃ
১। সমাজের আদর্শ হিসেবে আদর্শ শিক্ষকদের জীবনালেখ্য প্রকাশ।
২। দেশের প্রতিটি উপজেলার সেরা শিক্ষক নির্বাচিত করে তাদের সম্মানিত করা।
৩। আধুনিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা।
৪। শিক্ষকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা দূর করতে মিডিয়া সহযোগিতা করা।
৫। শিক্ষক ও তাদের পরিবারের আপাতকালীন দুর্ঘটনা কিংবা অসুস্থতায় চিকিৎসা সহযোগিতা করা।
৬। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ করতে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা।
৭। প্রাথমিক থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল ধরনের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের শুভসংঘ শিক্ষক ফোরামের সদস্য করা।

মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা ও চেতনা বিনির্মাণ
মুক্তিযুদ্ধ। আমাদের জাতীয় অর্জনের সর্বোচ্চ অধ্যায়। সকল ধরনের শোষণ, বঞ্চনা থেকে মুক্তির জন্য আতœত্যাগ ও মহত্তে¡র যে উজ্বল দৃষ্টান্ত মহান মুক্তিযোদ্ধারা রেখেছেন আমরা তা শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করি। সম্মুখ লড়াইয়ে যে সকল মুক্তিযোদ্ধা দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এবং যারা আজও তাদের পরিবার নিয়ে অসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করছেন তাদের কাছে আমরা ঋণী। শুভসংঘ দেশের অগ্রজ এই মহান যোদ্ধাদের পাশে শ্রদ্ধাভরে দাঁড়াতে চায়। শুভসংঘ নতুন প্রজন্মকে জাতীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে মুক্তিযোদ্ধাদের সামনে নিয়ে আসতে চায়। যে সকল মুক্তিযোদ্ধা খাদ্য ও চিকিৎসাহীন ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তাদের দুর্দশা লাঘবে শুভসংঘ দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে চায়।
কর্মসূচিঃ
১। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের ছবি ও ডাটাসহ বীর শহীদদের স্বরণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আর্কাইভ তৈরী।
২। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান।
৩। অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার সহযোগিতা প্রদান।
৪। অসহায় ও অর্থনৈতিকভাবে দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা প্রদান।
৫। নতুন প্রজন্মের চেতনাকে শানিত করতে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা আয়োজন।
৬। মুক্তিযোদ্ধাদের শুভসংঘের সাথে সম্পৃক্ত করা।
৭। মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করা।

নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা
দেশের অর্ধেক জনসংখ্যাই নারী। তাদের বাইরে রেখে কাঙ্খিত সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমাজে নারী পুরুষে রয়েছে বৈষম্য কর্মক্ষেত্রেও তার প্রভাব বিদ্যমান। ঘরে এবং বাইরে নিয়মিত ক্লান্তিকর কাজগুলো করার পরও পরিবার কিংবা সমাজে তারা অর্থনৈতিক মূল্যায়ন তো দূরের কথা সাধারণত মানবিক মূল্যায়নও পায় না। ফলে নারী মনস্তত্বে হতাশা বাড়ে। কমে যায় সৃজনশীলতা। নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা না থাকায় তা আরও তীব্র হতে থাকে। অর্থনৈতিক ভাবে দরিদ্র, অসহায় নারীরা বিপাকে পড়ে বাধ্য হয় অনৈতিক কর্মকান্ডে। মধ্যবিত্ত নারীরাও শিকার হয় নানা রকম নির্যাতন, নিপীড়ন ও প্রলোভনের। নারীর সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন রোধ করে মানুষ হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শুভসংঘ সুদৃঢ় ভূমিকা রাখতে চায়। শুভসংঘ মানবিক দায়িত্বের জায়গা থেকে নারীর সকল ধরনের সমস্যার পাশে দাঁড়াতে চায়।
কর্মসূচিঃ
১। দুস্থ, অসহায়, অসুস্থ নারীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে কার্যকরী ভূমিকা নেয়া।
২। শারীরিক, মানসিক নির্যাতনের শিকার নারীদের নির্যাতন রোধে ভুমিকা নেয়া।
৩। নারী অধিকার বিষয়ক সভা, সেমিনার, চিত্র প্রদর্শনী ও নাট্য প্রযোজনার আয়োজন।
৪। সংগ্রামী ও সফল নারীদের প্রতিবছরই সম্মাননা প্রদান।
৫। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নারীদের নির্যাতন রোধে আইনী সহায়তা প্রদান। 
৬। নারীদের জন্য কর্মমূখী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরী।
৭। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট ও কর্মস্থলে ইভটিজিংসহ সকল প্রকার যৌন হয়রানী বন্ধে উদ্যোগ গ্রহণ।
৮। ধর্ষণ ও এসিড সন্ত্রাস রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
৯। যৌতুক প্রথা বন্ধে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করা।
১০। গোপন ক্যামেরা কিংবা ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে নারীদের সম্মানহানীকর ঘটনা প্রতিরোধ করা।
১১। সব ধরনের নির্যাতনকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনি ও মিডিয়া সহযোগিতা প্রদান।

 


স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সহায়তা
জাতীয় উন্নয়নে শারীরিক সুস্থতা অপরিহার্য। অথচ স্বাস্থ্যখাতের দিকে তাকালে দেখা যায় এক করুণ চিত্র। রুগ্ন, ভগ্ন দেহ নিয়ে হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে কেউ। কেউ কেউ ডাক্তার দেখানোর সুযোগটুকুও পাচ্ছে না। ডাক্তার, ওষুধ থেকে যাচ্ছে সামর্থ্যরে বাইরে। একদিকে ক্যালোরি শূণ্যতা ও সচেতনতার অভাবে রোগাক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। অন্যদিকে চিকিৎসার অভাবে ভুগে ভুগে তিলে তিলে শেষ হচ্ছে জীবন। শুভসংঘ জীবনের পক্ষে দাঁড়াতে চায়। দুস্থ, দরিদ্র ও অসহায় শিশু, নারী, বৃদ্ধ সর্বপরি মানুষের সঠিক চিকিৎসা দিতে চায়। গড়ে তুলতে চায় একটি চিকিৎসা সহায়তা তহবিল।
কর্মসূচিঃ
১। দুস্থশিশু, কিশোর ও বৃদ্ধদের চিকিৎসা সহযোগিতা করা।
২। দুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সহায়তা দেয়া।
৩। সড়ক ও লঞ্চ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা সেবা প্রদান।
৪। ঝড়, জলোচ্ছ¦াস, ভূমিকম্প, বন্যা কিংবা অন্য কোন দুর্যোগে জরুরী চিকিৎসা ও ওষুধ সেবা প্রদান।
৫। ঘাতকব্যাধি হতে সতর্ক থাকতে সচেতনতা তৈরী ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া।
৬। বিশুদ্ধ খাদ্য পানি গ্রহণে সচেতনতা তৈরী।
৭। বস্তিবাসী ও তৃণমূল পর্যায়ের মানুষদের মধ্যে গিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সভা, সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম আয়োজন।
৮। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান।

সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বিকাশে শুভসংঘ
সাংস্কৃতিক দৈন্যতা ব্যক্তি তথা সমাজের বিকাশে অন্যতম বাঁধা। এবাঁধা অতিক্রমে শুভসংঘ সকল ধরনের সাংস্কৃতিক সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে চায়। সাংস্কৃতিক ভাবে অগ্রসর হতে তৃণমূল থেকে শুরু করে জাতীয় পরিসর পর্যন্ত সকল সাংস্কৃতিক উদ্যোগ, কেন্দ্র ও সংগঠনকে কার্যকর করার মধ্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে চায় শুভসংঘ। সে ক্ষেত্রে সাহিত্য চর্চা, আবৃত্তি, গান, নাটক, নৃত্যকলা, চিত্রাংকন, বিতর্ক, রক্তদান, পাঠাগারসহ অন্যান্য সাংস্কৃতি চর্চাকে সমাজের সর্বস্তরের পৌঁছাতে সহযোগিতা করবে শুভসংঘ। একটু সহযোগিতার অভাবে যে সব সংগঠন তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেছে না তাদের পাশে দাঁড়াতে চায় শুভসংঘ।
কর্মসূচিঃ
১। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর বিকাশে পদক্ষেপ নেয়া।
২। সহযোগিতার অভাবে যে সকল সংগঠন তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া।
৩। পাঠাগার বিষয়ক কর্মসূচি নেয়া ও পাঠাগারে সহযোগিতা করা।
৪। সাহিত্য চর্চার সুযোগ তৈরী ও সাহিত্য বিষয়ক এবং আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
৫। নৃত্যকলা, গান ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
৬। রক্তদাতা ক্লাব ও ডোনার ওয়েব সাইট তৈরী ও অন্যান্য ক্লাবগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করা।
৭। বিতর্ক ক্লাব তৈরী ও গঠনমূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
৮। নাটক তৈরী ও নাট্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
৯। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সম্মাননা প্রদান ও শুভসংঘের সাথে সম্পৃক্ত করা।
১০। সচেতনতামূলক প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
১১। প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।

দুর্যোগ, ত্রাণ, পূনর্বাসন ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা
আইলা, সিডরের মত ঝড়, জলোচ্ছ¦াস, বন্যা, শীত, মঙ্গা, ভূমিকম্প বাংলাদেশের জন্য আজ বড় চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য পুরো বিশ্বই আজ হুমকীর সম্মুখীন। ক্ষতিকর কার্বন তৈরী করছে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত বিশ্বের দেশগুলো অথচ তার ঘানি টানছে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশ। ফলে বারবারই আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের জনপদ। ধ্বংস হচ্ছে অবকাঠামো, অপচয় হচ্ছে মানব সম্পদের। পরিবেশ বিপর্যয়ের এই ক্রান্তিকালে শুভসংঘ পরিবেশ সচেতন নাগরিক তৈরী করবে। হঠাৎ আঘাত হানা কোন দুর্যোগে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াবে শুভসংঘ তার সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে। পাশাপাশি বন্যার্ত, শীতার্ত ও মঙ্গাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চায় শুভসংঘ।
কর্মসূচিঃ
১। স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পরিবেশ সচেতন নাগরিক তৈরী।
২। সারাদেশের শুভসংঘের সদস্যদের নিয়ে বন্যার্ত, শীতার্ত ও মঙ্গায় দুর্গতদের ত্রাণ সহযোগিতা করা।
৩। আইলা, সিডর বা ভূমিকম্পের মত বড় দুর্যোগ আসলে সর্বোচ্চ সামর্থ্য নিয়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো।
৪। দুর্যোগ মোকাবেলায় সচেতনতা ও আত্মরক্ষার কৌশল প্রশিক্ষণ দেয়া ও প্রচারণা চালানো।
৫। জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশে তার প্রভাব বিষয়ে সভা, সেমিনার ও গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা।
৬। জরুরী পরিস্থিতিতে ওষুধ, চিকিৎসক, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, অর্থ ও শ্রমসহ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
৭। পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে ভূমিকা নেয়া।

নিরাপদ জীবন গড়তে দুর্ঘটনা রোধ কার্যক্রম
দুর্ঘটনা আজ নিত্ত নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই ঝরে যাচ্ছে অগণিত কর্মব্যস্ত প্রাণ। শুধু সড়ক দুর্ঘটনাতেই প্রতিবছর মারা যায় ৬ হাজারের বেশি মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করে ৩০ হাজারের বেশি। ফলে অগণিত পরিবার পতিত হয় দুর্দশার চরম প্রান্তে। সড়ক দুর্ঘটনা, লঞ্চডুবি, বস্তি বা বহুতল ভবনে আগুনে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে এদেশেরই মানুষ। পঙ্গু, অসুস্থ হয়ে পড়ছে আরো অনেকে। একটু সচেতন থাকলেই এসব দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। বাঁচানো সম্ভব হাজারো মানুষের জীবন। শুভসংঘ সড়ক দুর্ঘটনা, লঞ্চ দুর্ঘটনা, অগ্নি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে সচেতনতার মত গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করতে চায়। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় আহত, পঙ্গু, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সেবা করতে চায় শুভসংঘ।
কর্মসূচিঃ
১। দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার প্রচারাভিযান চালানো।
২। গাড়ি ও লঞ্চের চালকদের কাউন্সিলিং এর আয়োজন করা।
৩। যাত্রীদের সচেতন করতে শুভসংঘের সদস্যদের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো।
৪। দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান।
৫। দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন কার্যকর করতে ভূমিকা নেয়া।
৬। ট্রাফিক আইন মেনে চলতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা।
৭। দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান যুগপযোগী করতে ভূমিকা নেয়া।
৮। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে বা সামনের রাস্তায় গতিরোধক তৈরীতে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
৯। যানবাহন চালকদের প্রতি সদয় মর্যাদা দিতে যাত্রীদের মাঝে প্রচারণা চালানো।
১০। বহুতল ভবনের দুর্ঘটনা রোধে রক্ষনাবেক্ষণকারীদের সচেতন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
১১। বস্তিবাসীদের সচেতন করতে প্রামাণ্যচিত্র তৈরী ও প্রর্দশনের ব্যবস্থা করা।

ধারা নং-০৫
সদস্য পদ
(ক) সদস্য পদের যোগ্যতা ঃ সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে আগ্রহী কমপক্ষে ১০ (দশ) বছর বয়সী ব্যক্তিরাই বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্য হতে পারবেন। বসুন্ধরা শুভসংঘ কর্তৃক গৃহিত সকল সিদ্ধান্তের প্রতি সকল সদস্যদের একাগ্রতা থাকতে হবে। শুভসংঘের মতাদর্শ পরিপন্থি কোন কাজে সদস্যরা অংশ নিতে পারবে না।
খ) সদস্য গ্রহণ পদ্ধতি ঃ
বসুন্ধরা শুভসংঘের সাধারণ সদস্য হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের সদস্যপদ গ্রহণে নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিতে হবে। কেন্দীয় অফিস এর প্রতিনিধি জমাকৃত আবেদনপত্রটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবেন এবং পরিচালকের কাছে উপস্থাপন করবেন। পরিচালক কর্তৃক সদস্য দেওয়ার বিষয়ে বিবেচিত হলে তবে আবেদনকারীর সদস্যপদ দেওয়া হবে।
(গ) বিভিন্ন শ্রেণীর সদসদের অধিকার ও সুবিধাদি ঃ
বসুন্ধরা শুভসংঘের সকল সদস্যই সমান অধিকার ভোগ করবেন।

ধারা নং-০৬
সদস্য পদ বাতিল বা স্থগিতকরণ পদ্ধতি ঃ
১। কোন সদস্য পর পর বিনা কারণে ৩ (তিন) টি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্য পদ সাময়িকভাবে বাতিল করা যাবে।
২। বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বার্থ পরিপন্থি কোন কাজ করলে এবং সমাজ বিরোধী কোন কাজে জড়িত থাকলে বা সংবিধান লংঘন করলে তার সদস্য পদ সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা যাবে।
৩। কোন সদস্য লিখিত ভাবে পদত্যাগ পত্র দাখিল করলে এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রধান কর্তৃক তার পদত্যাগ পত্র গৃহিত হলে তার সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে পদত্যাগ পত্র জমা দেয়ার সময় সংগঠনের আর্থিক কিংবা অন্যান্য দায় দায়িত্ব থাকলে তা বুঝিয়ে দিয়ে প্রাপ্ত দায় দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার লিখিত ছাড়পত্র আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
৪। কোন সদস্য মস্তিষ্ক বিকারগ্রস্থ হলে বা রাষ্ট্রের পরিপন্থী কোন কাজ করলে এবং আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হলে স্বাভাবিক ভাবে তার সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

ধারা নং-০৭ ঃ কমিটির রূপরেখা
বসুন্ধরা শুভসংঘ কমিটি রূপরেখা ঃ
(মহানগর কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল কমিটি, জেলা, উপজেলা, কলেজ, স্কুল কমিটি/সুপার মেরিট ক্লাব)

    প্রধান উপদেষ্টা             ঃ ১ (এক) জন
    উপদেষ্টা              ঃ ৪ (চার) জন
    সভাপতি              ঃ ১ (এক) জন
    সহ-সভাপতি              ঃ ২ (দুই) জন
    সাধারণ সম্পাদক           ঃ ১ (এক) জন
    যুগ্ম-সম্পাদক             ঃ ২ (দুই) জন
    সাংগঠনিক সম্পাদক          ঃ ১ (এক) জন
    দপ্তর সম্পাদক             ঃ ১ (এক) জন
    প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক     ঃ ১ (এক) জন
    অর্থ সম্পাদক              ঃ ১ (এক) জন
    কর্ম ও পরিকল্পনা সম্পাদক         ঃ ১ (এক) জন
    নারী বিষয়ক সম্পাদক          ঃ ১ (এক) জন
    সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক     ঃ ১ (এক) জন
    সমাজকল্যাণ সম্পাদক         ঃ ১ (এক) জন 
    ক্রীড়া সম্পাদক             ঃ ১ (এক) জন
    তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক     ঃ ১ (এক) জন
    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক     ঃ ১ (এক) জন
    শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক    ঃ ১ (এক) জন
    আপ্যায়ন সম্পাদক        ঃ ১ (এক) জন
    কার্যকরী সদস্য             ঃ ১১ (এগার) জন 

                    (প্রয়োজনে পদবীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা যেতে পারে)
 

(মহানগর কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল কমিটি, জেলা, উপজেলা, কলেজ, স্কুল কমিটি/সুপার মেরিট ক্লাব)
ক) বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটি কর্তৃক ন্যস্ত নিয়মিত কাজকর্ম পরিচালনা ও সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।
খ) সাধারণ সদস্য পদের জন্য আবেদনপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটি বরাবর পেশ করবেন।
গ) কোন সদস্য গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকান্ডে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ঘ) নিজ নিজ কমিটি কর্তৃক পরিচালিত সকল কাজের হিসেব যথাযথভাবে কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির নিকট পেশ করবেন।
ঙ) নিজ নিজ অঞ্চলে সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে বাৎসরিক খসড়া পরিকল্পনা অর্থবছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির নিকট পেশ করবেন।
চ) বিশেষ পরিস্থিতিতে জরুরী মিটিং আয়োজন করবেন।
ছ) দেশব্যাপী সকল কমিটি কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটিতে কেন্দ্রীভূত ।
জ) সকল কমিটির সভায় দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম হবে।
কমিটির সভা ঃ
(মহানগর কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল কমিটি, জেলা, উপজেলা, কলেজ, স্কুল কমিটি/সুপার মেরিট ক্লাব)
ক) প্রতি মাসে একটি সভা করতে হবে।
খ) কমপক্ষে ৭ (সাত) দিনের নোটিশ এই সভা আহŸান করতে হবে।
গ) দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের উপস্থিতিতে এর কোরাম হবে।
ঘ) সকল ধরনের প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত একটি  রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে এবং সভা শেষে রেজিস্টার বহিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাক্ষর থাকতে হবে।
অন্যান্য কমিটি সদস্যদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা ঃ
(মহানগর কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল কমিটি, জেলা, উপজেলা, কলেজ, স্কুল কমিটি/সুপার মেরিট ক্লাব)
সকল কমিটি গঠিত হবে ২৯ (উনত্রিশ) সদস্য বিশিষ্ট। কমিটির কার্যকালীন মেয়াদকাল হবে ১ (এক) বছর। যারা নিজ নিজ অঞ্চলে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সদস্যবৃন্দ সকল সভায় অংশ গ্রহণ করবেন। সভাপতি এবং সহ সভাপতির অনুপস্থিতিতে সাধারণ সম্পাদক সভা পরিচালনা করতে পারবেন। 
সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
ক) পদাধিকার বলে তিনি প্রধান হিসাবে বিবেচিত হবেন।
খ) সভাপতি তার পদাধিকার বলে আঞ্চলিক সভা, সাধারণ সভা এবং অন্য যে কোন সভার সভাপতিত্বে করবেন এবং সংগঠনের সকল কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকবেন।
গ) সভাসমূহের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
ঘ) তিনি পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য হবেন।
ঙ) কোন সদস্য গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকান্ডে যুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
চ) বিশেষ পরিস্থিতিতে জরুরী মিটিং আয়োজন করবেন।
ছ) নিজ নিজ পর্যায়ের সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে বাৎসরিক খসড়া পরিকল্পনা প্রতি অর্থবছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির নিকট পেশ করবেন।
সহ সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভাপতির কাজের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সভাপতির সকল কাজের সহযোগিতা করবেন।
সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব কর্তব্য ঃ
ক) সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে তিনি সভার আয়োজন করবেন। সভার গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ তিনি নথিভূক্তকরণ ও বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
খ) তিনি প্রয়োজনীয় রেজিষ্টার নথিপত্র, সব ধরনের তথ্য সম্বলিত কাগজপত্র সংরক্ষণ করবেন।
গ) তিনি বার্ষিক রিপোর্ট তৈরী করবেন এবং কমিটির অনুমোদনক্রমে সাধারণ সভায় পেশ করবেন।
ঘ) তিনি হিসাবের বই তত্ত¡াবধায়ন করবেন এবং কোষাধ্যক্ষের সাথে যৌথভাবে অর্থ বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
ঙ) কেন্দ্রীয় কমিটির অডিটরদের যথাযথভাবে অডিটের কাজে সহযোগিতা করবেন।
চ) তিনি আইনগত বিরোধের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিতপূর্বক মোকদ্দমা দায়ের ও আইনজ্ঞ নিয়োগ করতে পারবেন।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তার সব দায়িত্ব পালন করবেন এবং সাধারণ সম্পাদক কে সার্বিক কাজে সহযোগিতা প্রদান করবেন। এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করবেন।
সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
ক) সাংগঠনিক সম্পাদক বিভিন্ন কার্যক্রমে তিনি সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন।
গ) বিভিন্ন আয়োজনে সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন।
দপ্তর সম্পাদকঃ
১। সংগঠনের সমস্ত তথ্য, রিপোর্ট, চিঠিপত্র, দপ্তর ও সংস্থাপন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় সংরক্ষণ করবেন।
২। সকল সভা কার্য দিবসের নোটিশ সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি সাপেক্ষে সকল সদস্যকে অবহিত করবেন।
৩। সংগঠনের বিভিন্ন সভা/ অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তি/ অতিথিদের বক্তব্য/ মতামত লিপিবদ্ধ করে প্রেস রিলিজ আকারে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন।
৪। সংগঠনের সকল প্রকার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করবেন।
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
ক) সংগঠনের বিভিন্ন প্রচার কাজে তিনি নেতৃত্ব দেবেন।
খ) সংগঠনের বিভিন্ন প্রকাশনার সার্বিক দিক তিনি দেখবেন।
অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
ক) তিনি সংগঠনের নিজ নিজ অঞ্চলের হিসাব রক্ষণ ও অর্থ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবেন।
খ) তিনি সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক অনুমোদিত সকল প্রকার বিলের অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা করবেন।
গ) তিনি সংস্থা বার্ষিক হিসাব নিকাশ কেন্দ্রীয় কমিটির অডিটরের মাধ্যমে অডিট করাবেন এবং নিরীক্ষিত হিসাবের রিপোর্ট কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে উপস্থাপন করবেন।
ঘ) তিনি বার্ষিক রিপোর্ট তৈরী করতে সাধারণ সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।
ঙ) তিনি বার্ষিক খসড়া বাজেট ও পরিকল্পনা সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনা করে তৈরী করবেন এবং বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।
কর্ম ও পরিকল্পনা সম্পাদক ঃ
ক) সংগঠনের যেকোন আয়োজনের পরিকল্পনা প্রনয়ণ করা এবং বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা।
নারী বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
ক) সংস্থার নারী সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব করবেন নারী বিষয়ক সম্পাদক।
খ) সংস্থার যে কোন আয়োজনে তিনি নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবেন।
গ) নারী বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে তিনি সংগঠক ও অন্যান্য সম্পাদককে বিশেষ সহযোগিতা করবেন।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
ক) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন।
খ) এ বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে তিনি জনসংযোগ করবেন।
সমাজকল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
ক) সমাজকল্যাণ মূলক বিভিন্ন আয়োজনে তিনি সমন্বয় করবেন।
খ) সংগঠনের অধিকাংশ সদস্যদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান আয়োজনে তৎপর থাকবেন।
ক্রীড়া সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
ক) ক্রীড়া সম্পর্কিত নানা আয়োজনে তিনি সমন্বয় করবেন।
খ) সংগঠনের উদ্যোগে তিনি ক্রীড়া বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যবস্থা করবেন।
তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদকঃ
ক) সংগঠনের অনুমতিক্রমে সংগঠনের তথ্য ও নোটিশ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়াদি সংরক্ষণ করা।
কার্যকরী সদস্যগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
কার্যকরী সদস্য গণ সকল কাজে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ সবাইকে পরামর্শ ও সহযোগিতা দেবেন।

 

 

ইমদাদুল হক মিলন
প্রধান সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠ
পরিচালক, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রæপ লিমিটেড

 

 


পিএবিএক্স : ০৯৬১২১২০০০০, ৫৫০৩৬৮০৩-০৬

বার্তা বিভাগ ফ্যাক্স : ৮৪৩২৩৬৮-৬৯

বিজ্ঞাপন ফোন : ৮৪৩২০৪৮

E-mail : info@kalerkantho.com

BangladeshProtidin
DailySun
BanglaNews24
News24
logo White

স্বত্ব © 2024 বসুন্ধরা শুভসংঘ