
স্বত্ব © 2024 বসুন্ধরা শুভসংঘ
ঢাকা কলেজ পলিথিনের ব্যবহার রোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতা কার্যক্রম

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা কলেজ শাখার উদ্যোগে পলিথিনের ব্যবহার রোধে সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে এই কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। এতে কলেজের শিক্ষার্থী ও শুভসংঘের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয় আলোচনা সভা, পোস্টার প্রদর্শনী হয়।
বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা কলেজ শাখার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান। তিনি বলেন, ‘পলিথিন শুধু পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়, এটি মানুষের স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে। আমাদের প্রত্যেকের উচিত দৈনন্দিন জীবনে পলিথিনের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশ বান্ধব উপকরণের প্রতি মনোযোগী হওয়া।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন— ইকবাল হোসেন শিহাব, তৌহিদুল ইসলাম সাগর, আশিক, ইউসুফ আবদুল্লাহ, ফয়সাল, এমদাদুল হক, কাজি ফারুক, মিরাজ, আরাফাত, গগন ঘোষ, তানভীর মাহাতাব নাভিম।
বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা কলেজ শাখার সদস্য শিহাব হোসেন বলেন, ‘পরিবেশের সুরক্ষায় আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করে তাদের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই।’
এছাড়া শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, এই কার্যক্রম তাদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে নতুন করে ভাবনার সৃষ্টি করেছে।তারা ব্যক্তিগত জীবনে পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে কাপড়ের ব্যাগ বা কাগজের ব্যাগ ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেন।
পরিবেশ সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে এই সচেতনতা কার্যক্রম কলেজ প্রাঙ্গণে প্রশংসিত হয়। উপস্থিত সকলেই একমত পোষণ করেন যে, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

মিরপুর কুয়াশা ভেজা সকালে বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে পাঠ্যবই বিতরণ

শীতের কুয়াশাঘেরা এক সকালে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মিরপুরে অবস্থিত বসুন্ধরা শুভসংঘ স্কুলে আয়োজন করা হয়েছিল এক হৃদয়গ্রাহী অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যবই বিতরণ করতে জড়ো হয়েছিলেন.....
কম্বল বিতরণ ভাঙ্গুড়ায় শুভসংঘের কম্বলে ৩১ পরিবারে উষ্ণতার হাসি

‘কয় দিন ধরে ঠাণ্ডা বাতাস। খুব শীত লাগে। বাড়িতে মানুষের দেওয়া পাতলা দুটি কম্বল আছে। এই কম্বলে শীত যাইতে চায় না। স্বামী কাজকর্ম করতে পারে.....
কম্বল বিতরণ ভালোবাসার চাদরে উষ্ণতার পরশ

সত্তর বছর বয়সী রোকেয়া বেগম। স্বামী আব্দুর রাজ্জাক মারা গেছেন ১৬ বছর আগে। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে থাকতেন। মেয়ে পছন্দ করে ছেলেকে বিয়েও দিয়েছিলেন তিনি।.....
